Best photos by Rifat Hasan Rony

Show: best photos | all photos

Rifat Hasan Rony's conversations

mozaharul said:

Thank you very much for the photo


more »
Reza tahmasbi said:

Wonderful picture! LIKE.Best wishes from Iran . Reza


more »
Rifat Hasan Rony said:

White Mark: A Quality Computer House With All Possible IT Solutions.


more »
Rifat Hasan Rony said:

Sir Charles Eliot, the then governor of Bengal and Assam, laid the foundation of the bridge in August 6, 1882 and the Eliot Bridge was named after him. The bridge is 180 feet in length and 16 feet wide. Stuart Hartland, a British contract firm constructed the bridge on the Baral river pillars. This pillar-less bridge with only one arch was built at a cost of Tk. 45,000. The bridge was repaired recently for the sake of the town's beauty. It still draws visitors.


more »
Christos Theodorou said:

Nice panorama – Best Wishes and Happy New Year - Greetings from Athens.


more »
Rifat Hasan Rony said:

তিস্তা নদী (টেমপ্লেট:Lang-ne) ভারতের সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত একটি নদী। তিস্তা সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি বিভাগের প্রধান নদী। একে সিকিম ও উত্তরবঙ্গের জীবনরেখাও বলা হয়। সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার পর বাংলাদেশে প্রবেশ করে তিস্তা ব্রহ্মপুত্র নদের সঙ্গে মিলিত হয়েছে।

হিন্দু পুরাণ অনুসারে এটি দেবী পার্বতীর স্তন থেকে উৎপন্ন হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে নদীটির বাংলা নাম তিস্তা এসেছে ‘ত্রি-সে্রাতা’ বা ‘তিন প্রবাহ’ থেকে। সিকিম হিমালয়ের ৭,২০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত চিতামু হ্রদ থেকে এই নদীটি সৃষ্টি হয়েছে। এটি দার্জিলিং -এ অবস্থিত শিভক গোলা নামে পরিচিত একটি গিরিসঙ্কটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। দার্জিলিং পাহাড়ে তিস্তা একটি বন্য নদী এবং এর উপত্যকা ঘনবনে আচ্ছাদিত। পার্বত্য এলাকায় এর নিষ্পাশন এলাকার পরিমাণ মাত্র ১২,৫০০ বর্গ কিলোমিটার। পার্বত্য এলাকা থেকে প্রথমে প্রবাহটি দার্জিলিং সমভূমিতে নেমে আসে এবং পরে পশ্চিমবঙ্গের (ভারত) দুয়ার সমভূমিতে প্রবেশ করে। নদীটি নিলফামারী জেলার খড়িবাড়ি সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। অষ্টাদশ শতকের প্রায় শেষ পর্যন্ত এই ধারাটি বিভিন্ন নদীপ্রবাহের মাধ্যমে গঙ্গা নদীতে প্রবাহিত হতো। ১৭৮৭ সালের অতিবৃষ্টি একটি ব্যাপক বন্যার সৃষ্টি করেছিল এবং সেই সময় নদীটি গতিপথ পরিবর্তন করে লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম এবং গাইবান্ধা জেলার মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়ে চিলমারী নদীবন্দরের দক্ষিণে ব্রহ্মপুত্র নদে পতিত হয়। তিস্তা নদীর সর্বমোট দৈর্ঘ্য ৩১৫ কিমি, তার মধ্যে ১১৫ কিমি বাংলাদেশ ভূখণ্ডে অবস্থিত।


more »
Rifat Hasan Rony said:

লটকন আমাদের দেশি ফল। অঞ্চলভিত্তিক এর বেশ কিছু স্থানীয় নাম আছে। চট্টগ্রামে এর নাম হাড়ফাটা, সিলেটবাসী চেনে ডুবি নামে। ময়মনসিংহে বলে কানাইজু। এ ছাড়া লটকা, লটকাউ, কিছুয়ান —এসব নামেও ফলটি পরিচিত। আঙুরের মতো থোকায় থোকায় ধরে বলে ইংরেজিতে এর নাম Burmese grap। বৈজ্ঞানিক নাম Baccaurea sapida। গাছ ছোটখাটো ঝাঁকড়া ধরনের। পাতা ডিম্বাকৃতির, গাঢ় সবুজ। বসন্তে ফুল আসা শুরু। ফল পাকতে বর্ষা। ডুমুরের মতো লটকনও গাছের কাণ্ড ও মোটা ডালের বাকল ফেটে লম্বা বৃন্তে গুচ্ছাকারে ধরে। একটি গুচ্ছে কুড়ি থেকে ত্রিশটি পর্যন্ত ফল ধরতে পারে। লটকন বেশ পরিচিত ফল। সে কারণে কম-বেশি সবাই জানে এর মোটা খোসার ভেতরে তিন-চারটি রসাল কোষ থাকে, যেগুলোর স্বাদ অম্লমধুর। কৃষি তথ্য সার্ভিস থেকে জানা গেল, লটকন নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে গবেষণামূলক কাজ হয়েছে। গবেষকেরা বারি-১ নামে লটকনের একটি উন্নতজাত উদ্ভাবন করেছেন।

লটকনের পুষ্টিমান প্রচুর। আসলে আমাদের দেশি মৌসুমি ফলগুলোর প্রতিটিই স্বাদে যেমন বিচিত্র, তেমনি পুষ্টিমানেও অনন্য। লটকনে প্রচুর পরিমাণ রয়েছে ভিটামিন বি-২, ভিটামিন-সি। এ ছাড়া ফলটি ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, লৌহসহ বিভিন্ন খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ। রোজ আমাদের দেহের জন্য যে পরিমাণ ভিটামিন সি প্রয়োজন, চারটি লটকন সেই চাহিদা মেটাতে যথেষ্ট। লটকনের ভেষজগুণও রয়েছে। এটি অত্যধিক তৃষ্ণা নিবারণ ও বমনের ভাব দূর করতে কার্যকর। শুকনো পাতার গুঁড়ো সেবনে ডায়রিয়া নিরাময় ও মানসিক চাপ কমে। কাজেই হাতের নাগালে থাকা দেশি ফলের স্বাদ যত বেশি, আস্বাদন করা যায় ততই ভালো।


more »
Rifat Hasan Rony said:

Kurigram (Bengali: কুড়িগ্রাম)district straight a head; Lalmonirhat district on the left.


more »
« Previous12345678...1213Next »